বর্তমান সময়ে ডিজাইন এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে সেই সাথে গ্রাফিক ডিজাইনারের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময় ও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে বা ক্যারিয়ার গড়তে গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে চমৎকার একটি পেশা। খুব অল্প সময়ে গ্রাফিক ডিজাইনে ভালো করা সম্ভব। গ্রাফিক ডিজাইন শেখার জন্য বর্তমান এই আধুনিক যুগে কোথাও যেয়ে ক্লাস করতে হবে এমনটা ঠিক নয়, যুগের পরিবর্তনে ক্লাস করার পদ্ধতিও পরিবর্তন হয়েছে।
গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে/কাজ করতে কেমন কম্পিউটার দরকার?
এটি খুব কমন একটা প্রশ্ন, গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে/কাজ করতে কেমন কম্পিউটার দরকার? এক্ষেত্রে আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলব, খুব একটা ভালো মানের কম্পিউটার দরকার নেই গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে। মোটামুটি ডুয়েল কোর এর একটা সিপিইউ দিয়েই আপনি গ্রাফিক ডিজাইনের ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। আমি নিজেই ২০১২ সালে ডুয়েল কোর ৩য় জেনেরেশন এর একটা কম্পিউটার ব্যবহার করতাম এবং ১৪ ইঞ্চি চায়না মনিটর সেই সাথে আমি লেটেস্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করতাম। সুতরাং কম্পিউটার খুব ভালো মানের হতে হবে তা কিন্তু নয়। তবে ভালো মানের কম্পিউটার হলে আপনি কাজ করে একটা চমৎকার আনন্দ পাবেন।
গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে শিক্ষা যোগ্যতা কেমন দরকার?
এটাও একটা খুব কমন প্রশ্ন, গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে একটি স্বাধীন পেশা বা কাজ। আপনি যখন ছোট ছিলেন এবং আকাআকি করতেন, সেটাও কিন্তু গ্রাফিক ডিজাইন এর অংশ। সুতরাং গ্রাফিক ডিজাইনের সাথে আপনি অনেক ছোট থেকেই জড়িয়ে আছেন, এখন শুধু এটাকে প্রোফেশনাল একটা ব্যাপার প্রবেশ করাবেন। তখন করতেন পেন্সিল আর খাতা দিয়ে এখন করবেন মাউস আর মনিটর দিয়ে। অর্থাৎ অবস্থার পরিবর্তন মাত্র। আপনি যে কোন বয়সে গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে পারেন। তবে গ্রাফিক ডিজাইনকে আপনি অতিরিক্ত একটা দক্ষতা ভেবে আপনার পড়ালেখা ঠিক রাখতে হবে। অর্থাৎ আপনার প্রধান হচ্ছে জেনারেল শিক্ষা, তারপর গ্রাফিক ডিজাইন। সেক্ষেত্রে আমি বলব এসএসসি পরীক্ষার পর থেকেই আপনি চাইলে এই পেশায় বা কাজে নিজেকে জড়িয়ে নিতে পারেন।
আমি কবে থেকে উপার্জন করতে পারব?
খুব চমৎকার ও খুবই কমন একটা প্রশ্ন, আমি কি কোর্স সম্পন্ন করেই উপার্জন করতে পারব? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ছোট একটা গল্প জানা খুব জরুরী। ভালো একটা চাকরীর ক্ষেত্রে ক্লাসের ভালো শিক্ষার্থী সুযোগ পায় আর দুর্বল শিক্ষার্থী সেক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকে। সুতরাং বলাই যাচ্ছে আপনি যদি ভালোভাবে চেষ্টা করেন, প্র্যাকটিস করেন, শিক্ষক এর দেখান মত চলেন অবশ্যই আপনি কোর্স শেষ করার আগেই উপার্জন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আমাদের দেশে যেটা হয়, প্রথমে খুব আবেগ নিয়ে ক্লাস করতে শুরু করে কয়েকটা ক্লাস খুব ভালোভাবেই করে এবং বাসায় এসে প্র্যাকটিসও করে কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে এই যে তারপর ১ দিন কোন ভাবে ক্লাস মিস হয় আর তারপর থেকে ক্লাস নিয়মিত করেনা এবং প্র্যাকটিস এই ব্যাপারটাই তখন আর মাথায় থাকেনা। তারপর যা হয়, ওই প্রতিষ্ঠান ভালনা, কিছু শেখায় না ইত্যাদি টাইপের কথা। অথচ, ভুলটা কিন্তু নিজের। সব শেষে এটাই প্রমান করতে চেষ্টা করলাম, আপনাকে ১০০% ক্লাস ও ১০০% প্র্যাকটিসে মনোনিবেশ করতে হবে তাহলে আপনি অবশ্যই গ্রাফিক ডিজাইনে ভালো করতে পারবেন।
আমি খুব ব্যস্ত থাকি, ক্লাস করার জন্য দিনে সময় নাই। আমি কি করব?
আমাদের মধ্যে সকলেই কম বেশি ব্যাস্ত থাকি। যারা পড়ালেখা নিয়ে ব্যাস্ত তারা সারাদিন ক্যাম্পাস আর ক্লাস নিয়ে ব্যাস সন্ধায় হোম ওয়ার্ক, চাকরীজীবী সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যাস্ত অফিস নিয়ে সন্ধায় ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা, ব্যবসায়ি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যাবসার কাজে খুবই ব্যস্ত, গৃহিণী সারাদিন রান্না, বাসা গোছানো, বাচ্চা দেখা আরও কত কাজ। দেখা যাচ্ছে আমরা সকলেই সকাল থেকে সন্ধার বেশির ভাগ সময়েই ব্যাস্ত থাকি কাজ কখন শিখব এবং প্র্যাকটিস কখন করবো।
টেক অ্যাসেন্ট বিডি আপনাদের সকল ব্যস্ততা শেষে যখন রাত ৭-৮ টার পর কিছুটা ফ্রি হয়ে যান অথবা রাত ১০ টার পর যখন নিজেকে আবিস্কার করেন আপনি এখন ফ্রি সময়ে আছেন ঠিক তখনি আমরা আপনাকে অফার করছি এখন ক্লাস করুন এবং ক্লাস শেষ করেই ২০ বা ১০ মিনিট বা ৩০ মিনিট প্র্যাকটিস করুন। এভাবে ৩ মাস ন্যূনতম আপনি নিয়মিত ক্লাস ও প্র্যাকটিস করতে পারলে অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবেন গ্রাফিক ডিজাইনে।
সময় মিলল কিন্ত কোর্স ফি কেমন?
কোর্স ফি অত্যান্ত কম, আপনি গ্রাফিক ডিজাইন কোর্স করতে পারবেন একদম নামমাত্র কোর্স ফি দিয়ে। কিন্তু টিচার সাপোর্ট ও ক্লাসের কারিকুলাম অন্য যে কোন দামি কোর্স থেকে ভালো।
কোর্স লিঙ্ক: Become Master in Graphic Designing & Make Money
কোর্স ফি: ১৩০০ টাকা
কোর্স ডিউরেশন: ৩ মাস
ক্লাস সময়: রাত ৮:৩০-১০:০০
ক্লাস কিভাবে হবে?
এটা অনলাইন/ইন্টারনেটে হবে, ভিডিও/স্ক্রিনশেয়ারিং এর মাধ্যমে, অর্থাাৎ, শিক্ষক Tech Ascent BD থেকে ক্লাস শুরু করবেন, আপনি আপনার বাসায় বসে কম্পিউটারে শিক্ষকের কম্পিউটার স্ক্রিন দেখবেন, সাথে সাথে শিক্ষক তার কম্পিউটারে কি করছেন, তা দেখতে এবং শুনতে পাবেন। দেশ/বিদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যেকেউ এতে অংশ নিতে পারেন। কোর্সে অংশগ্রহণের পর অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার ও ডাটা আপানি Tech Ascent BD একাউন্ট ও ইমেইলে পেয়ে যাবেন। বিস্তারিত আরও জানতে ক্লিক করুন “কিভাবে অনলাইনে ক্লাস করবেন” এখানে।
আরও বিস্তারিত জানতে কোর্স লিঙ্কে যেয়ে ডেস্ক্রিস্পশন ও কারিকুলাম দেখুন এবং যে কোন প্রয়োজনে কল করুন ০১৬৭১৪১০৮৩১ এই নাম্বারে অথবা লাইভ চ্যাটে প্রশ্ন করুন।
Friday, 29 June 2018
সহজেই মাসে ৩০০- ৫০০ ডলার আয় করুন Neobux থেকে! Bangla Tutorial
দীর্ঘ আট বছর যাবত সাফল্যের সাথে কাজ করে আসছে Neobux। এখন বাংলাদেশে অনেকেই এই সাইটটিতে কাজ করছে। আর তারা ভালো মানে একটা অর্থ আয় করতে পারছে এই PTC সাইট থেকে।
এর বতমান অবস্থাঃ
Registered membersঃ 19, 927, 368
Paid to membersঃ$85, 284, 940
এই সাইটের একটা বড় সুবিধা হলো মাত্র ২ডলার জমা হলেই আপনি তুলতে পারবেন আপনার একাউন্টে।
আসলে PTC একটা দলীয় খেলার মত, একা একা এইখানে খুব বেশি আয় করতে পারবেন না। সফল হতে গেলে আপনার একটা দল (team) সাজাতে হবে। ২ ভাবে দল বানানো যায়। Direct referral এবং Rent referral। Neobux এ জয়েন করার ৩০ দিন পর থেকে Direct referral নে্য়া যায়।
Direct referralঃ Neobux-এ ৩০ দিন একা একা কষ্ট করে কাজ করার পর আপনি Direct referral এর মাধ্যমে অন্যকে আপনার একাউন্টে জয়েন করাতে পারবেন। Banners এ ক্লিক করলে রেফারেল লিংক পাওয়া যাবে। এই লিংকের মাধ্যমে যারা জয়েন করবে তাদের কে নিয়ে আপনার টীম হবে। তারা ক্লিক করলে তাদের আয়ের একটা অংশ আপনি পাবেন। standard member রা পাবে প্রতি ক্লিক এ $০.০০৫। standard member ৩০ জন Direct referral নিতে পারবে (upgrade করলে বাড়বে)। এখন আপনরা যদি ৩০ জন Direct referral থাকে এবং তারা যদি গড়ে প্রতিদিন ২টা ক্লিক করে তাহলে টোটাল ক্লিক ৬০ টা, আয় ৩০ সেন্ট প্রতিদিন + আপনার আয়।
Rent referrals: রেন্ট রেফারেল হল PTC থেকে আয় করার সবচে গুরুত্বপুর্ন টেকনিক। জয়েন করার পর পরই রেফারেল রেন্ট নেয়া যায়। এই জন্য invest করা লাগে না। আপনার neobux account এর ডলার দিয়েই আপনি রেন্ট করতে পারেন(মিনিমাম $০.৬০ সেন্ট জমা হলেই আপনি ৩ জন রেফারেল নিয়ে কাজ করতে পারবেন)। এভাবে নিয়মিত রেফারেল বাড়িয়ে যান তাহলে আপনার ইনকামও বেড়ে যাবে
অতএব এভাবে নিয়মিত কাজ করুন ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে আপনার ১৫০-২০০ জন রেন্টেড রেফারেল হয়ে যাবে তারপর শুধু ডলার আর ডলার
আপনি যদি আমার লেখা পড়ে কিছু হলেই শিখতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি আমার
referral লিঙ্কে ক্লিক করে রেজিষ্ট্টেশন করবেন।
রেজিস্ট্রেশন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুনঃ
https://www.neobux.com
এর বতমান অবস্থাঃ
Registered membersঃ 19, 927, 368
Paid to membersঃ$85, 284, 940
এই সাইটের একটা বড় সুবিধা হলো মাত্র ২ডলার জমা হলেই আপনি তুলতে পারবেন আপনার একাউন্টে।
আসলে PTC একটা দলীয় খেলার মত, একা একা এইখানে খুব বেশি আয় করতে পারবেন না। সফল হতে গেলে আপনার একটা দল (team) সাজাতে হবে। ২ ভাবে দল বানানো যায়। Direct referral এবং Rent referral। Neobux এ জয়েন করার ৩০ দিন পর থেকে Direct referral নে্য়া যায়।
Direct referralঃ Neobux-এ ৩০ দিন একা একা কষ্ট করে কাজ করার পর আপনি Direct referral এর মাধ্যমে অন্যকে আপনার একাউন্টে জয়েন করাতে পারবেন। Banners এ ক্লিক করলে রেফারেল লিংক পাওয়া যাবে। এই লিংকের মাধ্যমে যারা জয়েন করবে তাদের কে নিয়ে আপনার টীম হবে। তারা ক্লিক করলে তাদের আয়ের একটা অংশ আপনি পাবেন। standard member রা পাবে প্রতি ক্লিক এ $০.০০৫। standard member ৩০ জন Direct referral নিতে পারবে (upgrade করলে বাড়বে)। এখন আপনরা যদি ৩০ জন Direct referral থাকে এবং তারা যদি গড়ে প্রতিদিন ২টা ক্লিক করে তাহলে টোটাল ক্লিক ৬০ টা, আয় ৩০ সেন্ট প্রতিদিন + আপনার আয়।
Rent referrals: রেন্ট রেফারেল হল PTC থেকে আয় করার সবচে গুরুত্বপুর্ন টেকনিক। জয়েন করার পর পরই রেফারেল রেন্ট নেয়া যায়। এই জন্য invest করা লাগে না। আপনার neobux account এর ডলার দিয়েই আপনি রেন্ট করতে পারেন(মিনিমাম $০.৬০ সেন্ট জমা হলেই আপনি ৩ জন রেফারেল নিয়ে কাজ করতে পারবেন)। এভাবে নিয়মিত রেফারেল বাড়িয়ে যান তাহলে আপনার ইনকামও বেড়ে যাবে
অতএব এভাবে নিয়মিত কাজ করুন ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে আপনার ১৫০-২০০ জন রেন্টেড রেফারেল হয়ে যাবে তারপর শুধু ডলার আর ডলার
আপনি যদি আমার লেখা পড়ে কিছু হলেই শিখতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি আমার
referral লিঙ্কে ক্লিক করে রেজিষ্ট্টেশন করবেন।
রেজিস্ট্রেশন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুনঃ
https://www.neobux.com
Thursday, 28 June 2018
বিনামূল্যে নিজের ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং তা হতে লাইফটাইম ইনকাম করুন
আমাদের সবারই ওয়েবসাইট তৈরী এবং তা হতে ইনকাম করার ইচ্ছা থাকে কিন্তু কতো জনের ডোমেইন আর হোস্টিং কেনার সামর্থ্য আছে?
আবার এপ্রুভ গুগল এডসেন্স পাওয়া তো সহজ কথা নয় তাহলে আপনি কি করবেন?
আসুন সহজভাবে সল্যুশন করা যাক.
সবার আগে http://www.blogger.com ওয়েবসাইটে যান এবং আপনার create your blog ক্লিক করুন; এবার আপনার জিমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইনআপ করুন। পরের ধাপে creat a limited blogger profile সিলেক্ট করুন। ব্লগার প্রোফাইলের জন্য একটি নাম দিন> continue to blog> creat new blog> এবার ব্লগের শিরোনাম এবং url সিলেক্ট করুন তবে তা যেন সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়> creat blog> এইবার কিছুক্ষণের মধ্যে ওয়েবসাইট তৈরী হয়ে যাবে> এরপর Theme এ যান> নিচের simple এর মধ্যে লাল রং এর টেম্পলেট চয়েজ করুন> apply to blog ক্লিক করুন > Get it ক্লিক করে কনফার্ম করবেন> এরপর Moblie এর নিচের সেটিংস আইকন ক্লিক করুন>No. Show desktop theme on mobile devices চুজ করে save ক্লিক করুন(এইটা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়তো মোবাইল ভার্সনে এড শো করতে সমস্যা হতে পারে); ব্যাস আপনার ওয়েবসাইট তৈরী!
এইবার আপনার আপনি
https://www.revenuehits.com/ ওয়েবসাইটে যান এবং signup ক্লিক করুন। এরপর আপনার নাম, ওয়েবসাইট URL (আপনার ঐ ব্লগসাইটের লিংক), ক্যাটাগরি (blog), ইমেইল এড্রেস, পাসওয়ার্ড ও ক্যাপচা পূরণ করে সাইনআপ সম্পন্ন করে নিন।
এবার ইমেইল ভেরিফাই করুন করে আপনার রিভিনিউহিটস সাইটে যান এবং সাইনইন করুন> সাইট মেনু আইকন ক্লিক করে placement এ যান> New placement > select shadow box> প্লেসমেন্ট এবং ডিসক্রিপশনে লিখুন advertisement > save ক্লিক করুন> এরপর <\> আইকনে ক্লিক করলে একটা জাভাস্ক্রিপ্ট কোড পাবেব সেটা কপি করে নিন।
এবার আবার আপনার ব্লগসাইটে ফিরে যান এবং Layout ক্লিক করুন> sidebar-right-1 অংশে add a gadget ক্লিক করুন> HTML/Javascript সিলেক্ট করুন> টাইটেলে লিখুন Advertisement এবং কনটেন্ট ঐ কপি করা কোডটি পেস্ট করে save ক্লিক করুন।
ব্যাস আপনার ওয়েবসাইট আর্নিং উপযোগী হয়ে গিয়েছে।
মূলত আপনার ওয়েবসাইটে এখন যে ভিজিট করবে সেখান হতেই ইম্প্রেশন আর ক্লিক হতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন যা আপনি রিভিনিউহিটস একাউন্ট হতে ব্যাংক ওয়্যারে এবং অন্যান্য মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। উল্লেখ্য আপমার ওয়েবসাইটের সকল রিভিনিউ দেখতে পারবেন ১ দিন পর যেটা রিভিনিউহিটস টার্ম।
উদাহরণ স্বরূপ আমার ওয়েবসাইট হতে আর্নিং হয়েছে 263.20 USD Dollar যা বাংলাদেশী টাকাতে প্রায় 22, 147 টাকার সমান।
আমার ওয়েবসাইট'টির বয়স 3 সপ্তাহের কিছু বেশী আর মাত্র 21 দিনেই আর্নিং 22147 টাকা যদিও ওয়েবসাইট প্রায় এম্পটি।
এটা কিভাবে পসিবল জানেন?
(১) এসইও হতে (২) ট্রাফিক জেনারেটর ভায়া আইপি এক্সিলারেটর হতে।
আচ্ছা, আজকের বিষয় ছিলো ওয়েবসাইট তৈরী ও আর্নিং যা হতে আলোচনা করা হলো, এসব বিষয় নিয়ে না হয় পরে আরেকটা টিউটোরিয়াল দেবার চেষ্টা করবো।
মনে রাখুন আপনার ওয়েবসাইটে যতো ভিজিটর ততো ইনকাম তাই এমন আর্টিকেল লিখুন যা উন্নত কনটেন্ট এবং ইউনিক রাইটিং।
আপনারা উপরের নিয়ম ফলো করে নিজের ওয়েবসাইট তৈরী এবং আর্নিং এনাবল করার চেষ্টা করুন আশা করি সফল হতে পারবেন; আর একান্তই না পারলে আমি
আসিফ নিজে আপনাকে তৈরী করে দিবো। তবে আগে নিজে ট্রাই করুন কেননা হাত তো আমি ধরলামই এবার পায়ে হাটা' টা আপনাকেই তো হাটতে হবে.
ফেসবুকে আমাকে নক দিতে পারেন→ আসিফ মাহমুদ নিলয়
[টিউন করার উদ্দেশ্য যেহেতু বাংলাদেশে এখন আউটসোর্সিং এর নামে চলে স্ক্যামিং তাই সকলকে সঠিক গাইডলাইন দিতে এতোটুকু প্রয়াস মাত্র]
আবার এপ্রুভ গুগল এডসেন্স পাওয়া তো সহজ কথা নয় তাহলে আপনি কি করবেন?
আসুন সহজভাবে সল্যুশন করা যাক.
সবার আগে http://www.blogger.com ওয়েবসাইটে যান এবং আপনার create your blog ক্লিক করুন; এবার আপনার জিমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইনআপ করুন। পরের ধাপে creat a limited blogger profile সিলেক্ট করুন। ব্লগার প্রোফাইলের জন্য একটি নাম দিন> continue to blog> creat new blog> এবার ব্লগের শিরোনাম এবং url সিলেক্ট করুন তবে তা যেন সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়> creat blog> এইবার কিছুক্ষণের মধ্যে ওয়েবসাইট তৈরী হয়ে যাবে> এরপর Theme এ যান> নিচের simple এর মধ্যে লাল রং এর টেম্পলেট চয়েজ করুন> apply to blog ক্লিক করুন > Get it ক্লিক করে কনফার্ম করবেন> এরপর Moblie এর নিচের সেটিংস আইকন ক্লিক করুন>No. Show desktop theme on mobile devices চুজ করে save ক্লিক করুন(এইটা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়তো মোবাইল ভার্সনে এড শো করতে সমস্যা হতে পারে); ব্যাস আপনার ওয়েবসাইট তৈরী!
এইবার আপনার আপনি
https://www.revenuehits.com/ ওয়েবসাইটে যান এবং signup ক্লিক করুন। এরপর আপনার নাম, ওয়েবসাইট URL (আপনার ঐ ব্লগসাইটের লিংক), ক্যাটাগরি (blog), ইমেইল এড্রেস, পাসওয়ার্ড ও ক্যাপচা পূরণ করে সাইনআপ সম্পন্ন করে নিন।
এবার ইমেইল ভেরিফাই করুন করে আপনার রিভিনিউহিটস সাইটে যান এবং সাইনইন করুন> সাইট মেনু আইকন ক্লিক করে placement এ যান> New placement > select shadow box> প্লেসমেন্ট এবং ডিসক্রিপশনে লিখুন advertisement > save ক্লিক করুন> এরপর <\> আইকনে ক্লিক করলে একটা জাভাস্ক্রিপ্ট কোড পাবেব সেটা কপি করে নিন।
এবার আবার আপনার ব্লগসাইটে ফিরে যান এবং Layout ক্লিক করুন> sidebar-right-1 অংশে add a gadget ক্লিক করুন> HTML/Javascript সিলেক্ট করুন> টাইটেলে লিখুন Advertisement এবং কনটেন্ট ঐ কপি করা কোডটি পেস্ট করে save ক্লিক করুন।
ব্যাস আপনার ওয়েবসাইট আর্নিং উপযোগী হয়ে গিয়েছে।
মূলত আপনার ওয়েবসাইটে এখন যে ভিজিট করবে সেখান হতেই ইম্প্রেশন আর ক্লিক হতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন যা আপনি রিভিনিউহিটস একাউন্ট হতে ব্যাংক ওয়্যারে এবং অন্যান্য মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। উল্লেখ্য আপমার ওয়েবসাইটের সকল রিভিনিউ দেখতে পারবেন ১ দিন পর যেটা রিভিনিউহিটস টার্ম।
উদাহরণ স্বরূপ আমার ওয়েবসাইট হতে আর্নিং হয়েছে 263.20 USD Dollar যা বাংলাদেশী টাকাতে প্রায় 22, 147 টাকার সমান।
আমার ওয়েবসাইট'টির বয়স 3 সপ্তাহের কিছু বেশী আর মাত্র 21 দিনেই আর্নিং 22147 টাকা যদিও ওয়েবসাইট প্রায় এম্পটি।
এটা কিভাবে পসিবল জানেন?
(১) এসইও হতে (২) ট্রাফিক জেনারেটর ভায়া আইপি এক্সিলারেটর হতে।
আচ্ছা, আজকের বিষয় ছিলো ওয়েবসাইট তৈরী ও আর্নিং যা হতে আলোচনা করা হলো, এসব বিষয় নিয়ে না হয় পরে আরেকটা টিউটোরিয়াল দেবার চেষ্টা করবো।
মনে রাখুন আপনার ওয়েবসাইটে যতো ভিজিটর ততো ইনকাম তাই এমন আর্টিকেল লিখুন যা উন্নত কনটেন্ট এবং ইউনিক রাইটিং।
আপনারা উপরের নিয়ম ফলো করে নিজের ওয়েবসাইট তৈরী এবং আর্নিং এনাবল করার চেষ্টা করুন আশা করি সফল হতে পারবেন; আর একান্তই না পারলে আমি
আসিফ নিজে আপনাকে তৈরী করে দিবো। তবে আগে নিজে ট্রাই করুন কেননা হাত তো আমি ধরলামই এবার পায়ে হাটা' টা আপনাকেই তো হাটতে হবে.
ফেসবুকে আমাকে নক দিতে পারেন→ আসিফ মাহমুদ নিলয়
[টিউন করার উদ্দেশ্য যেহেতু বাংলাদেশে এখন আউটসোর্সিং এর নামে চলে স্ক্যামিং তাই সকলকে সঠিক গাইডলাইন দিতে এতোটুকু প্রয়াস মাত্র]
Subscribe to:
Posts (Atom)

